পোস্টগুলি

জুন, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সিরাজগঞ্জ জেলা ও সিরাজগঞ্জ জেলার ইতিহাস।

ছবি
                                        সিরাজগঞ্জ জেলা              বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা সিরাজগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। উপজেলার সংখ্যানুসারে সিরাজগঞ্জ বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা। তাঁতশিল্প এ জেলাকে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করেছে। বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু এবং সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধের অপূর্ব সৌন্দর্য এ জেলাকে পর্যটনসমৃদ্ধ জেলার খ্যাতি এনে দিয়েছে। তা ছাড়া শাহজাদপুর উপজেলার রবীন্দ্র কাঁচারিবাড়ি, এনায়েতপূর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বাঘাবাড়ি মিল্কভিটা, বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তের ইকোপার্ক, বাঘাবাড়ি বার্জ মাউনন্টেড বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, বাঘাবাড়ি নদী বন্দর,বাঘাবাড়ি প্যারামাউন্ট বাংলা ট্রাক এনার্জি কনসোর্টিয়াম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ইত্যাদি বিখ্যাত স্থাপত্য ও শৈল্পকর্মের নিদর্শন এ জেলাকে সমৃদ্ধতর করেছে। জেলা থেকে বর্তমানে অনেক গুলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং দৈনিক ...

বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট আব্দুল হাদী, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র।

ছবি
                             রাজশাহীর কৃতীসন্তান :-  রাজশাহীর কৃতীসন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহচর রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এর প্রথম মেয়র ,  আলহাজ্ব আবুল হোসেন মোহাম্মদ আব্দুল হাদী বা  এ্যাডভোকেট এ. এইচ.এম আব্দুল হাদী (জন্ম ৬ জুন ১৯৩০) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন রাজনীতিবিদ ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র। তিনি ১৯৭০ সালে পাকিস্তান সাধারণ পরিষদ নির্বাচনে রাজশাহী সদর থেকে নির্বাচিত হন।            রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এর প্রথম মেয়র             বীর মুক্তিযোদ্ধা এ এইচ এম আব্দুল হাদী                                কাজের মেয়াদ                ১৩ আগস্ট ১৯৮৭ – ১৫ এপ্রিল ১৯৯০ ব্যক্তিগত বিবরণ জন্ম---------১০ ই মহররম , ৬ জুন ১৯৩০ (বয়স ৯২)                      ...

শিক্ষায় অনার্স কেন ,কোথায় পড়বনে “?

ছবি
শিক্ষায় অনার্স কেন  ,কোথায় পড়বনে “? বি.এড(অনার্স) বা শিক্ষায় অনার্স যেটাকে ইংলিশে বলা হয় ব্যাচেলর অব এডুকেশন(অনার্স)।  বর্তমানে সরকারি ১৪টি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের মধ্যে সবকটিতেই এই অনার্স চালু রয়েছে।  ১. রংপুর।  ২.ময়মনসিংহ ৩. ময়মনসিংহ মহিলা । ৪.ঢাকা। ৫.ফরিদপুর। ৬.কুমিল্লা। ৭.রাজশাহী। ৮.যশোর। ৯.খুলনা। ১০.বরিশাল। ১১.চট্রগ্রাম। ১২. সিলেট। ১৩.ফেনী ১৪.পাবনা এই অনার্স জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেশনাল ডিপার্টমেন্টের আওতায় পরিচালিত হয়।।।এবাবেরও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় এই কোর্সের ভর্তি কার্যক্রম শুরুর নোটিশ বের হবে খুব শীঘ্রই ।। ২০২১-২২ সেশনের ক্লাস শুরু হবে ১৫নভেম্বর থেকে।।। এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে আবেদন করবো??? আপনি যদি এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পাস করে থাকেন তাহলে আপনি আবেদন করতে পারবেন।।। অনেকেই বি.এড ও বি.এড অনার্স কে এক ভেবে গুলায় ফেলে,,তাদের উদ্দেশ্যে বলছি বি.এড হচ্ছে টিচার্সদের জন্য এক বছরের কোর্স যেটা তারা ট্রেনিং হিসেবে করে তাদেরকে বলা হয় প্রশিক্ষণার্থী।।আর বি.এড অনার্স হচ্ছে ৪বছরের কোর্স যেখানে তাদেরকে বলা হয় শিক্ষার্থী।।না বুঝে কোন মন্তব্য করে নিজেকে হীন করিয়েন ন...

সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, রংপুর।

ছবি
                সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, রংপুর।              বাংলাদেশী শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ,রংপুর।  টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, রংপুর, বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলির মধ্যে একটি।  বাংলাদেশের প্রধান শহরগুলিতে মোট চৌদ্দটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ রয়েছে।  সমস্ত কলেজ বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্বারা অর্থায়ন করা হয়।  টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, রংপুর 1882 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের একটি বিভাগীয় শহর রংপুরে অবস্থিত।  এটি রাজধানী ঢাকা থেকে 350 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।  এটি মাধ্যমিক স্তরের স্কুল শিক্ষকদের শিক্ষকদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।  শিক্ষকরা তাদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য এখানে আসেন।  কোর্স পড়ানো হয়  এই কলেজে তিনটি কোর্স পড়ানো হয় যেমন  ব্যাচেলর অফ এডুকেশন (এক বছরের কোর্স), মাস্টার অফ এডুকেশন (এক বছরের কোর্স) এবং চার বছরের ব্যাচেলর অফ এডুকেশন (সম্মান) কোর্স।  এসব কোর্স ছাড়াও কলেজে নিয়মিত কিছু প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হ...

শিক্ষার ইতিহাস।

ছবি
                            শিক্ষার ইতিহাস                    বিশ্বের ইতিহাসের বিভিন্ন দিক নিয়ম-মাফিক শিক্ষাদানের প্রথা, যথা স্বাক্ষরীকরণ, গত দেড়শো-দুশো বছরের সমাজে পরিবাহিত হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন, এমনকি কিছু কিছু দেশে এই উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে বিগত পঞ্চাশ বছরে। পুরাকালে কিশোর কিশোরীরা বিদ্যালয় থেকে নানা দক্ষতা অর্জন করতো যেমন পৌরোহিত্য, শাসকত্ব, বিষয়ভিত্তিক পারদর্শিতা প্রভৃতি। শিক্ষা হল শেখার একটি প্রক্রিয়া, বা জ্ঞান অর্জন, দক্ষতা, মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং অভ্যাসের একটি প্রক্রিয়া। শিক্ষাগত পদ্ধতিগুলির অন্তর্ভুক্ত হল গল্প বলা, আলোচনা, শিক্ষণ, প্রশিক্ষণ এবং পরিচালিত গবেষণা । শিক্ষা প্রায়ই শিক্ষকের নির্দেশনার অধীনেই ঘটে থাকে, তবে শিক্ষার্থীরা নিজেরাও নিজেদেরকে শিক্ষিত করতে পারে। শিক্ষা আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক পদ্বতিতে পরিচালিত হতে পারে এবং যেকোনো অভিজ্ঞতা যার একটি গঠনমূলক প্রভাব রয়েছে মানুষ কী করে চিন্তা করে তাদের অনুভূতির উপর । শিক্ষাদান পদ্ধতিকে বল...

শিক্ষা কি?

ছবি
  শিক্ষা প্রক্রিয়ায় কোন ব্যক্তির অন্তর্নিহিত গুণাবলীর পূর্ণ বিকাশের জন্য উৎসাহ দেয়া হয় এবং সমাজের একজন উৎপাদনশীল সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠালাভের জন্য যে সকল দক্ষতা প্রয়োজন সেগুলো অর্জনে সহায়তা করা হয়। সাধারণ অর্থে জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জনই শিক্ষা। ব্যাপক অর্থে পদ্ধতিগতভাবে জ্ঞানলাভের প্রক্রিয়াকেই শিক্ষা বলে। তবে শিক্ষা হল সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধনের অব্যাহত অনুশীলন। বাংলা শিক্ষা শব্দটি এসেছে ‍'শাস' ধাতু থেকে। যার অর্থ শাসন করা বা উপদেশ দান করা। অন্যদিকে শিক্ষার ইংরেজি প্রতিশব্দ এডুকেশন এসেছে ল্যাটিন শব্দ এডুকেয়ার বা এডুকাতুম থেকে। যার অর্থ বের করে আনা অর্থাৎ ভেতরের সম্ভাবনাকে বাইরে বের করে নিয়ে আসা বা বিকশিত করা। সক্রেটিসের ভাষায় “শিক্ষা হল মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের বিকাশ।” এরিস্টটল বলেন “সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হল শিক্ষা”। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় “শিক্ষা হল তাই যা আমাদের কেবল তথ্য পরিবেশনই করে না বিশ্বসত্তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের জীবনকে গড়ে তোলে।” শব্দের উৎপত্তি শিক্ষা শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত "শাস" ধাতু থেকে। সাধারণভাবে বলা যায় মানুষের আচরণের কাঙ...

সিলেট সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ।

ছবি
        সিলেট সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ। সিলেট সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ( Sylhet Govt teacher's Training college ) বাংলাদেশের অন্যতম শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শিক্ষক তৈরির উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ২০০৫ খ্রীস্টাব্দে সিলেট টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি সিলেটের পূর্ব শাহী ঈদগাহে অবস্থিত। স্থাপনা এখানে প্রশাসনিক ও একাডেমির ভবন একত্রে রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ছাত্রাবাস, অধ্যক্ষের বাসভবন, তত্ত্বাবধায়ক কোয়ার্টার, মিলানায়াতন, শহীদমিনার । কলেজে খেলাধুলার জন্য রয়েছে বেশ বড় একটি মাঠ।এ কলেজে পুরুষ ছাত্রাবাস , ছাত্রীহোস্টেল রয়েছে। পুরুষ ছাত্রাবাস ও মহিলা ছাত্রাবাস চারতলা বিশিষ্ট। লোকবল বর্তমানে কলেজে ১ জন অধ্যক্ষ, ১ জন উপাধ্যক্ষ, ১ জন অধ্যাপক, ৪ জন সহযোগী অধ্যাপক, ৮ জন সহকারী অধ্যাপক, ৫জন প্রভাষক (রাজস্ব), ১জন গন্থাগারিক,৭ জন একাডেমিক স্টাফ। কলেজে মোট শিক্ষাথী সংখ্যা প্রায় ৫০০ জন। লাইব্রেরী কলেজের মূল ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত লাইব্রেরিতে প্রায় ২১ হাজারের মত বিভিন্ন ধরনের বই সংগৃহীত আছে। এছাড়া বেশকিছু থিসিস পেপার, জার্নাল, পত্র...

সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (মহিলা), ময়মনসিংহ।

ছবি
 সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (মহিলা), ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (মহিলা),বাংলাদেশের ময়মনসিংহে অবস্থিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি শিক্ষায় স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করে। শশী লজ মুক্তাগাছা জমিদার বংশের উত্তরসূরি সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী তার দত্তক পুত্র শশীকান্তের নামে ময়মনসিংহ শহরে শশী লজ নামে একটি বিলাসবহুল দ্বিতল প্রাসাদ নির্মাণ করেন। প্যারিস এবং ইউরোপের বিভিন্ন স্থান থেকে আনা বিভিন্ন ধরনের অভিনব জিনিসপত্র দিয়ে সজ্জিত ছিল এই মহৎ ভবনটি। ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে প্রবল ভূমিকম্পে এই আদি স্থানটি ধ্বংস হয়ে যায়। তারপর এই প্রাসাদটি ১৯০৫ থেকে ১৯১১ সালের মধ্যে শশীকান্ত দ্বারা একতলাতে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। এটি মোটামুটি একটি বৃহৎ এলাকা, প্রায় নয় একর জমি দখল করে এবং একটি আকর্ষণীয় অর্ধবৃত্তাকার খিলানযুক্ত গেটওয়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রাসাদ এবং গেটওয়ের মাঝখানে একটি সুন্দর শাস্ত্রীয় মূর্তি ধারণকারী একটি শোভাময় মার্বেল ফোয়ারা সহ একটি বড় ঘাসের লন রয়েছে। কেন্দ্রীয় ভবনের পশ্চিম পাশে একটি পুরনো পুকুর রয়েছে। উত্তর কোণ থেকে পুকুরের মাঝখানে মার্বেল পাথর দিয়ে তৈ...

সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, কুমিল্লা।

ছবি
  সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, কুমিল্লা হচ্ছে কোটবাড়ি, কুমিল্লায় অবস্থিত শিক্ষকদের ট্রেনিং প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি কলেজ। ১০.১৬ একর জায়গার উপর এটি প্রতিষ্ঠিত। জনাব খালিদা আক্তার বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ইতিহাস উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শিক্ষক তৈরির উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ১৯৬২ সালে কুমিল্লা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে বি.এড. এবং এম.এড ডিগ্রী প্রদান করা হয়। আসন সংখ্যা বি.এড (অনার্স) : ১০০ বি.এড (প্রফেশনাল): ৬০০ এম.এড (প্রফেশনাল): ৫০

সরকারি শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, বরিশাল।

ছবি
  সরকারি শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, বরিশাল। সরকারি শহীদ ,আবদুর রব সেরনিয়াবাত টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের বিভাগীয় শহর বরিশালে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে কলেজটি বিএড কলেজ নামে অধিক পরিচিত। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের কাশিপুর গণপাড়া এলাকায় ৩ একর জায়গা জুড়ে ১৯৯৯ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে কলেজটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৪ বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অব এডুকেশন (বিএড) অনার্স, ১বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অব এডুকেশন (বিএড), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ বছর মেয়াদী মাস্টার্স অব এডুকেশন (এমএড) কোর্স চালু রয়েছে। এছাড়াও কলেজটিতে বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স করার সুযোগ বিদ্যমান। কলেজটিতে ইতোপূর্বে শিক্ষা মন্ত্রনালয়'র অধীনে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কলেজটেতে রয়েছে একটি একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন, নতুন ভবন, একটি মসজি, একটি মিলনায়তন, একটি শহীদ মিনার , ছাত্র হোস্টেল, ছাত্রী হোস্টেল ইত্যাদি। একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় একটি গ্রন্থাগার রয়েছে। এখানে নিয়মিত বার্ষিক ক্রীড়া , সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা অায়োজন, ...

সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকা বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়।

ছবি
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকা বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়। এটি বাংলাদেশে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা ক্ষেত্রে মানবসম্পদ তৈরিতে বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ, ঢাকা’য় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শিক্ষক তৈরির উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ১৯০৯ খ্রীস্টাব্দে ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। বেঙ্গল গভর্নমেন্টের আদেশ নং-৫৩, শিক্ষা, তারিখ ৬ জানুয়ারি ১৯০৯-এর মাধ্যমে ঢাকার আরমানিটোলায় ১৯০৯ খ্রীস্টাব্দে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ স্থাপন করা হয়। ১৯৫৬ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত কলেজটি আরমানিটোলাতেই ছিল। পরবর্তীকালে এটি ধানমন্ডিতে স্থানান্তর করা হয়। কলেজের প্রথম প্রিন্সিপাল নিযুক্ত হন ইভান ই. বিস। ১৯০৯-১৯১০ শিক্ষাবর্ষে সর্বমোট ১২ জন প্রশিক্ষণার্থী নিয়ে কলেজের বি. এড. কোর্স চালু হয়। ১৯০৬ খ্রীস্টাব্দে অবিভক্ত বাংলায় এনট্রান্স পরীক্ষায় ভয়াবহ ফলাফল বিপর্যয় দেখা দিলে এ অঞ্চলে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এমতাবস্থায় বাংলায় দু’ট...

বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা ,রাজশাহী জেলার খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরা হলো।

ছবি
 রাজশাহী জেলা বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা এই নিবন্ধটি বাংলাদেশের জেলা রাজশাহী সম্পর্কে। অন্য ব্যবহারের জন্য রাজশাহী (দ্ব্যর্থতা নিরসন) দেখুন। রাজশাহী জেলা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমন্তবর্তী একটি জেলা। এই জেলাটি রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত। অবস্থানগত কারণে এটি বাংলাদেশের একটি বিশেষ শ্রেণীভুক্ত জেলা।রাজশাহী জেলা বাংলাদেশের পুরাতন জেলা গুলোর অন্যতম একটি জেলা। দ্রুত তথ্য রাজশাহী, দেশ ... অবস্থান ও আয়তন রাজশাহী জেলার উত্তরে নওগাঁ জেলা, দক্ষিণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, কুষ্টিয়া জেলা ও পদ্মা নদী, পূর্বে নাটোর জেলা, পশ্চিমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। দেশের প্রধানতম নদী পদ্মা এই জেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই জেলার মোট আয়তন ২৪০৭.০১ বর্গকিলোমিটার। নামকরণ ইতিহাস এই জেলার নামকরণ নিয়ে প্রচুর মতপার্থক্য রয়েছে। তবে ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়র মতে রাজশাহী রাণী ভবানীর দেয়া নাম। অবশ্য মিঃ গ্রান্ট লিখেছেন যে, রাণী ভবানীর জমিদারীকেই রাজশাহী বলা হতো এবং এই চাকলার বন্দোবস্তের কালে রাজশাহী নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। পদ্মার উত্তরাঞ্চল বিস্তীর্ন এলাকা নিয়ে পাবনা...

সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, রাজশাহী সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ।

ছবি
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, রাজশাহী। সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ। সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, রাজশাহী রাজশাহীর লক্ষীপুরের সিপাইপাড়ায় অবস্থিত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি কলেজ। এটি ১৪ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত।  ইতিহাস উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শিক্ষক তৈরির উদ্দেশ্যে ১৯৫৫ সালে রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। কলেজটিকে বিশ্বমানে উন্নীত করার রূপকল্পকে সামনে রেখে বর্তমানে এটি পরিচালিত হচ্ছে।  স্থাপনা এখানে রয়েছে প্রশাসনিক ও একাডেমির ভবন। এছাড়াও রয়েছে একটি মহিলা হোস্টেল, চারটি পুরুষ হোস্টেল, হোস্টেল সুপারের বাসভবন, অধ্যক্ষের বাসভবন, মিলানায়াতন ও মসজিদ। কলেজে একটি বড় মাঠ ছাড়াও রয়েছে পুকুর ও দুইটি বাগান।  বিষয়সমূহ *বি.এড (অনার্স) *বি.এড (১ বছর মেয়াদী)  *এম.এড (১ বছর মেয়াদী)  *অধ্যক্ষগণ ১.মুহম্মদ ফজলুল রহমান (১৯৫৫-১৯৫৬) ২.মুহম্মদ সুরুত আলী খান (১৯৫৬-১৯৫৬) ৩.মিয়া মুহম্মদ সুফিয়ান (১৯৫৬-১৯৫৮) ৪.আব্দুল মোক্তাদের (১৯৫৮-১৯৫৯) ৫.আ.ন.ম মমতাজ উদ্দীন চৌধুরী (১৯৫৯-১৯৬৩) ৬.মুহম্মদ মহীউদ-দীন (১৯৬৩-১৯৬৩) ৭.সৈয়দ আজ...