শিক্ষায় অনার্স কেন ,কোথায় পড়বনে “?
শিক্ষায় অনার্স কেন ,কোথায় পড়বনে “?
বি.এড(অনার্স) বা শিক্ষায় অনার্স যেটাকে ইংলিশে বলা হয় ব্যাচেলর অব এডুকেশন(অনার্স)।
বর্তমানে সরকারি ১৪টি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের মধ্যে সবকটিতেই এই অনার্স চালু রয়েছে।
১. রংপুর।
২.ময়মনসিংহ
৩. ময়মনসিংহ মহিলা ।
৪.ঢাকা।
৫.ফরিদপুর।
৬.কুমিল্লা।
৭.রাজশাহী।
৮.যশোর।
৯.খুলনা।
১০.বরিশাল।
১১.চট্রগ্রাম।
১২. সিলেট।
১৩.ফেনী
১৪.পাবনা
এই অনার্স জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেশনাল ডিপার্টমেন্টের আওতায় পরিচালিত হয়।।।এবাবেরও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় এই কোর্সের ভর্তি কার্যক্রম শুরুর নোটিশ বের হবে খুব শীঘ্রই ।।
২০২১-২২ সেশনের ক্লাস শুরু হবে ১৫নভেম্বর থেকে।।।
এখন প্রশ্ন হলো কিভাবে আবেদন করবো???
আপনি যদি এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পাস করে থাকেন তাহলে আপনি আবেদন করতে পারবেন।।।
অনেকেই বি.এড ও বি.এড অনার্স কে এক ভেবে গুলায় ফেলে,,তাদের উদ্দেশ্যে বলছি বি.এড হচ্ছে টিচার্সদের জন্য এক বছরের কোর্স যেটা তারা ট্রেনিং হিসেবে করে তাদেরকে বলা হয় প্রশিক্ষণার্থী।।আর বি.এড অনার্স হচ্ছে ৪বছরের কোর্স যেখানে তাদেরকে বলা হয় শিক্ষার্থী।।না বুঝে কোন মন্তব্য করে নিজেকে হীন করিয়েন না।।
এখন প্রশ্ন উঠতে পারে কেনো আপনি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ভর্তি হবেন।
তাহলে আমি উল্টো আপনাকে প্রশ্ন করবো আপনি কেনো ঢাকা ভার্সিটি কিংবা অন্য ভার্সিটি অথবা রাজশাহী বা এম সি বা কারমাইকেলের মতো কলেজে ভর্তি হতে চান।।
উত্তরে কি বলবেন।।।আপনার উত্তর নাই বা শুনলাম।।বর্তমান আমরা যে যুগে পদার্পণ করেছি সেখানে বিষয়ের থেকেও বেশি প্রয়োজন আপনি কতোটা জানেন সেটা।।উদাহরণ হিসেবে আপনি ঢাকা ভার্সিটি থেকে পাশ করে যেখানে আবেদন করতে পারবেন ঠিক এখান থেকেও সেখানে আবেদন করতেন পারবেন।।।কিন্তু শিক্ষা রিলেটেড যে কোন পোস্টে প্রাথমিক পর্যায়ে আপনি তাদের থেকেও এগিয়ে থাকবেন।।।শিক্ষা অফিসার,,কারিকুলাম স্পেশালিস্ট,,,শিক্ষাবিদ এসব হবার ক্ষেত্রে আপনি তাদের থেকেও এগিয়ে থাকবেন।।।কিন্তু এটা মনে রাখবেন এগিয়ে থাকবেন এটা ঠিকই বাট যোগ্যতার ভিত্তিতেই আপনাকে এসব পজিশনে স্টে করতে হবে শুধু আপনার সার্টিফিকেট দেখে কিন্তু আপনাকে এসব পজিশনে বসানো হবে না।।।।আর কেউ যদি শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে নিতে চায় তাহলে আমি বলবো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর থেকে বেটার বিষয় তার জন্য নেই।
অনেকেই বলে এখান থেকে টিচার ছাড়া কিছুই হওয়া যাবে না।।তাদের মুখের এই অযৌক্তিক কথা শুনে খুব হাঁসি পায় আমার।।।আমি আবারও বলছি শিক্ষকতা পেশায় তাদের প্রাধান্য বেশি তার মানে এই নয় যে তারা শিক্ষক ছাড়া অন্য কিছু হতে পারবো না।। এটা পুরোটাই ভুল ধারণা।।
ছোট্র একটি উদাহরণ দিতে চাই,,,,কেউ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অনার্স ৩ বর্ষের স্টুডেন্টস ।।২য় বর্ষে সে কম্পোলসারি বিয়ষ পড়ছে ৪টি পাশাপাশি ইলেক্টিভ বিষয় হিসেবে পড়ছে ৩টি বিষয়ের ৬টি পার্ট(ইতিহাস,,রাষ্ট্রবিজ্ঞান,,,আইসিটি) যেগুলোর সিলেবাস জেনারেল অনার্স ২য় বর্ষের মতোই।। আপনি চাইলে এখানে সায়েন্স বা কমার্স বিয়ষও নিতে পারেন।।আপনি যদি জেনারেল কোন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা ইতিহাসের ছাত্রের সাথে বি.এড অনার্স ছাত্রের তুলনা করতে চান তাহলে দেখবেন তারা(বি এড অনার্স) ইলেক্টিভ হিসেবে তাদের মতোই তাদের বিষয়গুলো পড়ছে,,পাশাপাশি কম্পোলসারি হিসেবে শিক্ষার বিষয়ও পড়ছে বাট তাদের জ্ঞান কেবল মাত্র ঐ বিষয়ের উপরই থাকছে।।এই উদাহরণ দেয়ার মূল উদ্দেশ্য কিন্তু তাদেরকে ছোট করা নয়।।
সো আমি মনে করি তারা (বি.এড অনার্স) যে বিষয়ে পড়াশুনা করছে সেটি অনেক ভালো বিষয়।।এর ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল।।।।আপনাকে এই উজ্জ্বলতা অর্জন করে নিতে হবে।।।আপনি বিশ্বের উন্নত দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে তাকিয়ে দেখেন সেখানকার প্রথম এবং প্রধান বিষয় হচ্ছে এডুকেশন(বি.এড)।।আর এই এডুকেশন বিষয়ের নতুন সংস্করণ বি.এড অনার্স।
তাই আমি বলতে চাই আপনি নির্দ্বিধায় বি.এড অনার্সে ভর্তির আবেদন করতে পারেন।।।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন